বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং, সকাল ৯:০১
শিরোনাম :
চরামদ্দিতে পেনশনের টাকায় গড়া স্বপ্নে আঘাতঃ বিষ প্রয়োগে তিন পুকুরের মাছ নিধন মুসলিম নিকাহ্ রেজিস্ট্রার কল্যাণ পরিষদের পক্ষ থেকে বরিশালের নবাগত জেলা রেজিস্ট্রারকে কে ফুলেল শুভেচ্ছা বরিশালে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত এক স্বাচিপ নেতাকে হটিয়ে আরেক স্বাচিপ নেতাকে আনলো ড্যাব! জালীলুল কুরআন মাদ্রাসায় হাফেজদের স্পোকেন ইংলিশ কোর্স শেষে সার্টিফিকেট বিতরণ যুবলীগ নেতা,নতুন পরিচয়ে ভিন্ন কায়দায় চাঁদাবাজির রামরাজত্ব কায়েমের চেষ্টা সাংবাদিকদের কল্যাণে সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে: তথ্যমন্ত্রী আগস্টের মধ্যেই বাস্তবায়িত হচ্ছে নতুন পে-স্কেল হুথিরা কোথা থেকে হামলা চালাচ্ছে খুঁজে পাচ্ছে না সৌদি আরব আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করলেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থানের প্রতি জাপানের পূর্ণ সমর্থন

ডেক্সরিপোর্ট:রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ বাসভূমিতে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের অবস্থানের প্রতিপূর্ণসমর্থন ব্যক্ত করেছে জাপান । বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের মধ্যে বৈঠকের পর বুধবার এক যৌথ বিবৃতিতে এ সমর্থন ব্যক্ত করা হয়।

জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দুই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের পর দেওয়া যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, দুই নেতা মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী পালিয়ে আসার ফলে উদ্ভূত দীর্ঘস্থায়ী সংকটের ‘একটি টেকসই ও আশু সমাধান’ নিয়ে আলোচনা করেন।

শেখ হাসিনা এ সংকটে গভীরতা উপলব্ধির জন্য জাপানের প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আবে ও আমি এই মানবিক ও রাজনৈতিক সংকটের একটি টেকসই ও আশু সমাধান নিয়ে আলোচনা করেছি।

তিনি বলেন, ‘জাপান অনুধাবন করে যে, এ সংকটের সমাধান বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ ভূমি মিয়ানমারে দ্রুত, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণভাবে ফিরে যাওয়ার মধ্যেই নিহিত রয়েছে। আর এ জন্য মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করা প্রয়োজন।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলকে উন্নয়নের গুরুত্ব বিবেচনা করে তাঁরা সেখানে মানসম্মত অবকাঠামো গড়ে তোলার বিভিন্ন ধারণা নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, তাঁরা সন্ত্রাসবাদ ও উগ্রবাদ মোকাবিলায় বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মঞ্চে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারেরও সিদ্ধান্ত নেন।

শেখ হাসিনা আরো বলেন, ‘আমরা আমাদের সন্তানদের নিরাপদ রাখতে জলবায়ু পরিবর্তন থেকে উদ্ভূত ঝুঁকি প্রশমন এবং বিপারমাণবীকরণ নিশ্চিত করতেও সম্মত হয়েছি। সর্বোপরি আমরা শান্তি ও জ্ঞানের দিগন্ত সম্প্রসারিত করতে পরস্পরের প্রয়াসে সহযোগিতা প্রদানেও সম্মত হয়েছি।’

জাপান বাংলাদেশের জনগণের অন্তরে এক বিশেষ স্থান দখল করে আছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘১৯৭১ সালে আমাদের স্বাধীনতার পর থেকে জাপান যে পর্যায়ের অঙ্গীকার প্রদর্শন করে আসছে, তা সত্যিই উল্লেখযোগ্য।’ তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখতেন এবং তাঁর উন্নয়নের চিন্তা ধারা জাপানের উন্নয়নের ইতিহাস দ্বারা বহুলাংশে প্রভাবিত ছিল।

শেখ হাসিনা জাপানের সম্রাট নারুহিতোর সিংহাসনে আরোহণের আনন্দঘন মুহূর্তে রাজ পরিবারের সদস্য এবং জাপানের জনগণকে উষ্ণ অভিনন্দন জানান।